আজ শনিবার | ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
| ৭ মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী | সময় : সকাল ৬:৫৪

মেনু

ইউএনও সাব্বির আহমেদ যখন মাঠের কৃষক

ইউএনও সাব্বির আহমেদ যখন মাঠের কৃষক

ইলিয়াছ মাহমুদ, বার্তা কক্ষ
বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭
৬:৩৮ অপরাহ্ণ
265 বার

হেমন্ত মানেই হিম হিম কুয়াসা। কৃষকের গোলায় নতুন ধান। কৃষাণির ব্যস্ততা। নতুন চালের পিঠার ঘ্রানে আমোদিত চারদিক পুরো গ্রাম জুড়ে উৎসবের আমেজ। নবান্ন উৎসবের সাথে মিশে আছে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐহিত্য ও সংস্কৃতি। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালিয়ানার পরিচয় পাওয়া যায় এই নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে। অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই আমাদের গ্রামবাংলায় চলে নানা উৎসব-আয়োজন। নতুন ধান কাটা আর সেই সাথে প্রথম ধানের অন্ন খাওয়াকে কেন্দ্র করে পালিত হয় এই উৎসব। সোনালি ধানের প্রাচুর্য আর বাঙালির বিশেষ অংশ নবান্নকে ঘিরে অনেক কবি-সাহিত্যিকের ভাবনায় ফুটে উঠেছে প্রকৃতির চিত্র। কবি জীবনানন্দ দাশ তার কবিতায় লিখেছেন-

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শংখচিল শালিখের বেশে,
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল ছায়ায়।

হেমন্ত এলেই দিগন্তজোড়া প্রকৃতি ছেয়ে যায় হলুদ-সবুজ রঙে। এই শোভা দেখে কৃষকের মন আনন্দে নেচে ওঠে। কারণ কৃষকের ঘর ভরে ওঠে গোলাভরা ধানে।  সারাদেশের মত ধানকাটার এ উৎসবে মেতে উঠেছে শরীয়তপুরের কৃষকরা।  কৃষকের অানন্দের ভাগ নিতে কৃষক সেজেই নেমেছিলেন ভেদেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির অাহমেদ ।  ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের আয়োজনে সখিপুর থানার ডিয়েমখালীতে পহেলা অগ্রহায়নের  নবান্ন উৎসবে কৃষকের মাঠে হাতে ধান কাটার কাচিঁ নিয়ে নেমে পড়েন তিনি।  এসময় উৎসব হয়ে ওঠে প্রানবন্ত, সকলে মেতে ওঠে নবান্ন উৎসবে।  এসময় ডি এম খালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম মাদবর, ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মান্নান হাওলাদার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments

শেয়ার করুন
error: Content is protected !!