আজ রবিবার | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
| ৮ আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১২ মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী | সময় : রাত ১১:৪৩

মেনু

সংসদীয় আসন বিন্যাসের গেজেট প্রকাশ, শরীয়তপুর ২ ও ৩ আসন অপরিবর্তিত

সংসদীয় আসন বিন্যাসের গেজেট প্রকাশ, শরীয়তপুর ২ ও ৩ আসন অপরিবর্তিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০১ মে ২০১৮
১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
2217 বার

আগামী অক্টোবরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে ৩০০ সংসদীয় আসনের ২৫টিতে সীমানায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। খসড়ায় ৪২ আসনের কথা বলা হলেও চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছে ১৭ আসন। খসড়া তালিকায় শরীয়তপুর-৩ আসন ভেঙে ভেদরগঞ্জ উপজেলাকে শরীয়তপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু শরীয়তপুর-২ আসনের সাংসদ কর্ণেল (অবঃ) শওকত আলী ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সাংসদ নাহিম রাজ্জাকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চুড়ান্ত তালিকায় শরীয়তপুর ২ ও ৩ আসনকে আগের মতই অবপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

সোমবার নির্বাচন কমিশনসভা শেষে নির্বাচন ভবনে সংসদীয় আসন পরিবর্তনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ৩০০ আসনের সীমানা গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২৭৫টি আসনের ক্ষেত্রে দশম সংসদের সীমানাই বহাল থাকছে। বাকি ২৫টি আসনে পরিবর্তিত সীমানায় ভোট হবে।
সীমানা পরিবর্তনের যৌক্তিকতা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন উত্থাপন করলে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ৪০টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনে ৩০০ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছিলাম। এসব আসনের বিপরীতে ৬০ আসনের ওপর দাখিল করা দাবি-আপত্তি নিয়ে আমরা শুনানি করেছি। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম আবেদন আসে। কোথাও জনসংখ্যার ভারসাম্য রাখার আবেদন এসেছে, কোথাও এসেছে ম্যাসিভ চেঞ্জের আবেদন। তাই এক কথায় জবাব দেওয়া ভেরি ডিফিকাল্ট।

পঁচিশটি আসন পরিবর্তনে কোন মানদন্ড বিবেচনায় নিয়েছেন- এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রতিটি আসনের ওপর ভিত্তি করে, প্রতিটি আসনকে প্রশাসনিক ইউনিট ধরে এবং তাদের (আপত্তি) ওই আসনের ওপর যুক্তি ও যৌক্তিকতা ছিল সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে এই আসন বিন্যাস করা হয়েছে। ফলে আপনি যদি সামগ্রিকভাবে জিজ্ঞেস করেন বিন্যাস কেন করা হয়েছে, তা হলে জবাব দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট আসন, ওই আসনে কী সমস্যা রয়েছে সেগুলো বিবেচনা করেছে কমিশন।

পরিবরর্তিত ২৫ আসন হচ্ছে- নীলফামারী-৩, ৪; রংপুর-১ ও ৩; কুড়িগ্রাম ৩ ও ৪; সিরাজগঞ্জ-১ ও ২; খুলনা ৩ ও ৪; জামালপুর ৪ ও ৫; নারায়ণগঞ্জ ৪ ও ৫; সিলেট ২ ও ৩; মৌলভীবাজার-২ ও ৪; ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ ও ৬; কুমিল্লা ৬, ৯ ও ১০ এবং নোয়াখালী ৪ ও ৫।

খসড়ায় থাকলেও পরিবর্তনের চূড়ান্ত তালিকায় না থাকা আসন ও সেখানকার সংসদ সদস্যরা হলেন রংপুর-৪ সাংসদ টিপু মুন্সি, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ খ. আজিজুল হক আরজু, মাগুরা-১ এটিএম আবদুল ওয়াহাব, ২ শ্রী বিরেন শিকদার, সাতক্ষীরা-৩ এএফএম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার, ঢাকা-২ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ, ঢাকা-৭ হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা-১৪ মো. আসলামুল হক, ঢাকা-১৯ মো. ডা. এনামুর রহমান, শরীয়তপুর-২ অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, কুমিল্লা-১ অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-২ মোহাম্মদ আমির হোসেন, চট্টগ্রাম-৭ মো. হাসান মাহমুদ এবং চট্টগ্রাম-৮ মঈন উদ্দীন খান বাদল। দুজন বাদে বাকি সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত সাংসদ। তারা আসন পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ইসিতে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন।

::শেয়ার করুন::
Share on Facebook
Facebook
Share on Google+
Google+
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print
Email this to someone
email

মন্তব্য

comments




  • সর্বশেষ প্রকাশিত  
  • সর্বাধিক পঠিত  

Assign a menu in the Left Menu options.
error: Content is protected !!