আজ শনিবার, ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

শরীয়তপুরে কাল বৈশাখী ঝড়ে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি ও ২ জনের মৃত্যু

শরীয়তপুরের দুই দিনের কাল বৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এতে জেলার  নড়িয়া ও সখিপুরে পৃথক স্থানে  দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে সখিপুর থানা সংলগ্ন পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. সালাউদ্দিন গাজী (২২)নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।  নিহত মো. সালাউদ্দিন গাজী সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের পশ্চিম মোনাই হাওলাদারকান্দি গ্রামের সাহেব আলী গাজীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নে জাকিরখার কান্দি গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে জহির আকন্দ (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলার নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের জাকির খার কান্দি গ্রামের কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপরে গাছ উপড়ে পরে জহির আকন্দ (৬০) নামে এক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়। স্থানিয়রা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

তিনি আরও জানান, ঝড়ের কবলে পরে গাছ উপড়ে পরে নড়িয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার ফতে জঙ্গপুর বাজারে ৪টি দোকান ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে।

এদিকে জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর জাবারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গির হোসেন জানান, বিকেলে কালবৈশাখী ঝরে ওই বাজারের প্রায় ১০টি টিনের দোকান ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছ ও গাছের ডালা ভেঙ্গে পরে ওই এলাকার আরও প্রায় ২০টি বসত ঘর ভেঙে গেছে। বিভিন্ন সড়কের পাসে গাছের ডালাপালা ভেঙে পরেছে। প্রবল শিলা বৃষ্টির কারনে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খোঁজ খবর নিয়েছি। ঝড়ে বড় ধরনের কোন ক্ষতির খবর পাওয়া জায়নি। গাছের ডালা ভেঙে পরে কিছু ঘরের ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।