আজ বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পর করোনার সম্ভাব্য হটস্পট শরীয়তপুর

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পর করোনার সম্ভাব্য হটস্পট হতে পারে শরীয়তপুর। প্রতিবেদন ডিবিসি নিউজের।

১১ দিন ধরে লকডাউনে শরীয়তপুর। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অনেকেই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে নৌপথে যাচ্ছেন সেখানে। এছাড়া মাছ-সবজি-নিত্যপণ্য পরিবহণকারী গাড়িতেও প্রবেশ করছেন অনেকে। ফলে জেলায় বাড়ছে করোনায় সংক্রমণের ঝুঁকি।

এ মাসের শুরুতে করোনার হটস্পট ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ থেকে প্রায় দুইশ’ মানুষ শরীয়তপুরে প্রবেশের পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ১৫ই এপ্রিল শরীয়তপুরে লকডাউন ঘোষণা করার পরও সড়ক ও নদীপথে জেলায় প্রবেশ করেন অনেকে।

লকডাউনের বিধি নিষেধ অমান্য করে হাট-বাজার আর চায়ের দোকানেও চলছে আড্ডা। এতে জেলায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, যারা এখনো রাতের আধাঁরে অন্য জেলা থেকে আসছে তাদের হোম কোয়ারেন্টিন আমরা নিশ্চিত করছি। এছাড়া তাদের নমুনা সংগ্রহ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা পাঠাচ্ছি।

শরীয়তপুর পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান বলেন, হাটবাজারে যারা অযথা জনসমাগম করছে সেখানে যখন পুলিশ যায় তখন কিন্তু সবাই চলে যায়। আবার পুলিশ চলে গেলে আবার তারা চলে আসে। আমরা অনুরোধ করছি, সবাইকে সামাজিক দায়িত্ব মেনে চলতে এতে দেশ সমাজ পরিবার সবাই নিরাপদে থাকবে।

শরীয়তপুরে এরইমধ্যে করোনা রোগীর চিকিৎসায় পাঁচটি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে করোনা মোকাবিলা অসম্ভব বলে মনে করেন জেলা সিভিল সার্জন এস এম আব্দুল্লাহ আল-মুরাদ। তিনি বলেন, আমরা যেহেতু এখনো মানুষকে ঘরে রাখতে পারছি না তাই ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে যারা এসেছেন তারাই আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনের রাখতে পারলেই আমরা নিরাপদে থাকতে পারবো।

সবাই সচেতন না হলে ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের পর শরীয়তপুরেও বিপর্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

সুত্র: dbcnews.tv