আজ বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

জাজিরায় দেশের সর্ববৃহৎ ফায়ারিং রেঞ্জ উদ্বোধন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করতে এবং ফোর্সেস গোল-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের সর্ববৃহৎ ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে  শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু সংলগ্ন শেখ রাসেল সেনানিবাসে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফায়ারিং রেঞ্জের উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

ফায়ারিং প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে দুজন করে ছয়টি দলে ১২ জন সেনাসদস্য নিখুঁত নিশানায় লক্ষ্যভেদ করেন।

নবনির্মিত অত্যাধুনিক ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জে বৈরী আবহাওয়াতেও ১০০ মিটার দূরত্ব থেকে ফায়ারিংসহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিশ্বমানের ফায়ারিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করতে শেখ রাসেল সেনানিবাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো নির্মিত বৃহৎ পরিসরে ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জের আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেশের অন্য সেনানিবাসে ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ নির্মাণ করা হবে, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য ফায়ারিং অনুশীলনের ধারায় নতুন সংযোজন।’

তিনি আরও বলেন, “ফায়ারিং রেঞ্জ যেকোনো সেনানিবাসের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে মূল মন্ত্র ‘এক গুলি এক শত্রু’, এটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। আর সেই ফায়ারিং সঠিকভাবে চর্চা করতে ফায়ারিং রেঞ্জ দরকার।”

সেনাপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা জাতীয় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

‘এ জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের যে সকল সদস্যরা ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে শহীদ হয়েছেন, তাদের সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।’