আজ শুক্রবার, ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

পদ্মার ভাঙ্গনের মুখে ৪০০ বছরের পুরানো মূলফৎগঞ্জ বাজার

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মার ভাঙ্গন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভাঙ্গতে শুরু করেছে ৪০০বছরের ঐতিহ্যবাহি মূলফৎগঞ্জ বাজার।
শনিবার ভোর থেকে সোমবার পর্যন্ত নড়িয়া উপজেলা মূলফৎগঞ্জ বাজারের ২৫টি দোকানঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আশেপাশের অর্ধশত পাকা-কাঁচা ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙ্গন আতংকে মূলফৎগঞ্জে অবস্থিত নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে মূলফৎগঞ্জ বাজার, মূলফৎগঞ্জ মাদ্রাসা, দেওয়ান ক্লিনিক, লাইফ কেয়ার হাসপাতাল, ব্যাংক, ছোট বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান সহ আশেপাশের শত শত বসতভিটা। পদ্মার ভাঙন আতংকে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মূলফৎগঞ্জ বাজারের ব্যাবসায়িরা। তারা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান অনত্র সরিয়ে নিচ্ছে।
উপার্জনের একমাত্র পথ দোকান হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেক দোকানদার। তারা খোলা আকাশের নিচে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন খোলা আকাশের নীচে। নতুন করে দোকান দেয়ার টাকাও নেই তাদের কাছে।
এলাকাবাসী জানান অতি দ্রুত চর ড্রেজিং করে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা না হলে অচিরেই নদী গর্ভে বিলীন হবে ৪০০ বছরের পুরানো মূলফৎগঞ্জ বাজার সহ নড়িয়া উপজেলা। তাই ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী এলাকাবাসীর।
পানি উন্নয়ন বোডের্র উপবিভাগীয় প্রকৌশলী তারেক হাসান বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষ হলেই নদী শাসন কাজ শুরু হবে। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে মূলফৎগঞ্জ বাজার ও উপজেলা হাসপাতাল রক্ষার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।