আজ বৃহস্পতিবার | ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
| ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী | সময় : রাত ১০:১৬

মেনু

গোসাইরহাটে ককটেল বিস্ফোরণে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত

গোসাইরহাটে ককটেল বিস্ফোরণে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত

শনিবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৯
৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ
2225 বার

গোসাইরহাটের ইদিলপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরে ককটেল বোমা বিস্ফোরণে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহত চারজন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও একজন পাশের একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ র্দুঘটনা ঘটেছে। আহত শিশুদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ বলছেন, পরিত্যাক্ত ঘরটিতে কিভাবে বোমা আসল ও এর সাথে কারা জরিত এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
গোসাইরহাট থানা ও মাছুয়াখালী বিদ্যালয় সূত্রে জানায়, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলা সদরের ইদিলপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামে ৫নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়েরর শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় সংলগ্ন ওয়াজ উদ্দিন মাদবরের একটি পরিত্যক্ত ঘরে যায় খেলতে। সেখানে একটি ব্যাগ দেখতে পায় তারা। শিক্ষার্থীরা ওই ব্যাগটি নিয়ে খেলা করতে থাকে। তখন বিকট শব্দ করে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী সুমাইয়া (৮), তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়াসমিন (৯), চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানজিলা (১০), শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী মাহিম (৫), প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়াছিন (৬) মারাত্মক আহত হয়। পরে আহত শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গ্রামবাসী উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত শিক্ষার্থী তানজিলার বাবা আফজাল ব্যাপারী বলেন, আমার দুই মেয়ে ও প্রতিবেশি আরো তিন শিশু বিদ্যালয়ের পাশের ওয়াজ উদ্দিন মাদবরের পরিত্যাক্ত ঘরে খেলতে যায়। সেখানে ককটেল বোমার বিস্ফোরণে তারা আহত হয়। ওই ঘরে কিভাবে বোমা আসল তা আমরা বুঝতে পারছি না।
মাছুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, ওই পরিত্যক্ত ঘরটিতে শিশুরা খেলা করছিল। সেখানে কিভাবে বোমা আসল তা আমরা বলতে পারবো না, আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে শিশুরা বেঁচেছে। উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে তাদের চিকিৎসা চলছে।
গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের হাত ও পায়ের বিভিন্নস্থানে স্পিলিন্টারের আঘাত রয়েছে। এক্স-রেসহ বিভিন্ন পরীক্ষা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পেলে বুঝা যাবে তাদের চিকিৎসা গোসাইরহাটে করা যাবে কিনা।
গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, ককটেল বিস্ফোরণে শিক্ষার্থীদের আহত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে ছিলাম। সেখানে বিস্ফোরিত ককটেল বোমার আলামত পাওয়া গেছে। ওই ঘরে কিভাবে বোমা আসল ও এর সাথে কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।

::শেয়ার করুন::
Share on Facebook
Facebook
Share on Google+
Google+
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print
Email this to someone
email

মন্তব্য

comments




  • সর্বশেষ প্রকাশিত  
  • সর্বাধিক পঠিত