আজ শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের মালামালসহ ৫ চোর আটক

চোর চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার নাওডোবা প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্মাণ কাজকে ব্যহত করার উদ্দেশ্যে লোহা ও বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রাংশ চুরি করে আসছে। লোহা চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের ধরতে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের অধীনে দায়িত্ব প্রাপ্ত চৌকস ২৮ই বেঙ্গল সদা তৎপর হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
গত ২ মাস যাবৎ একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল পদ্মা সেতু জাজিরা প্রান্ত সংলগ্ন মূল সড়কের পার্শে অবস্থিত গার্ডার রেলের ব্যাকপার্ট চুরি করে আসছিলো। যা রাস্তায় যানবাহন চলাচলের জন্য অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়াও পদ্মা সেতুর কাজে নিয়োজিত লোহা এবং যন্ত্রাংশ মালামাল ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইউসুফ ও রাজ্জাক তার সহযোগিদের নিয়ে চুরি করে তার ব্যবসার আড়ালে মজুদ করে ঢাকায় রোলার কারখানায় নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেয়। দায়িত্ব প্রাপ্ত ২৮ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করলেও চোরেরা ধরা ছোয়ার বাহিরে ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুন সন্ধ্যা ৭ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়ক ২৮ ইস্ট বেঙ্গল লেঃ কর্নেল সামি উদ-দৌলা চৌধুরী পিএসসি এর নির্দেশ পাচ্চর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ট্রাকে মালামাল উত্তোলনের সময় বিপুল পরিমান চোরাই মালামাল সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং চোর চক্রের মূল হোতা ইউসুফ ও রাজ্জাক পলাতক। উদ্ধারকৃত মালামালের পরিমান আনুমানিক ৬ টন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোঃ আবুল কালাম, মোঃ সুলতান কাজী, মোঃ তোফাজ্জল হোসেনে, মোঃ নুরুল ইসলাম (ট্রাক ড্রাইভার), বাপ্পি হোসাইন (হেলপার)।
অধিনায়ক ২৮ ইবি এর নির্দেশে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জাজিরা থানায় মামলা করা হয়েছে। চোর চক্রের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৮ ইস্ট বেঙ্গল এর টহল কার্যক্রম জোড়দার করা হয়েছে।

মন্তব্য

comments

শরীয়তপুর নিউজে প্রকাশিত কোন তথ্য, ছবি, রেখচিত্র, আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যাবহার করা নিষেধ!!