মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

ছয় দিনেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ তিনটি

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর ওয়াপদা টার্মিনালে তীব্র স্রোতে ডুবে যাওয়া লঞ্চ ৩টি ছয় দিনেও উদ্ধার হয়নি। এতে অন্তত ২২ জন নিখোঁজ হলেও উদ্ধার হয়েছে মাত্র ২ জনের মরদেহ। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২০ জন। উদ্ধারকারী যান প্রস্তুত থাকলেও প্রচণ্ড স্রোতের কারণে কিছুই করতে পারছে না তারা।

গত সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে ৪টি লঞ্চ ওয়াপদা চেয়ারম্যান ঘাট টার্মিনালে এসে ভেড়ে। ভোর পাঁচটার দিকে প্রচুর স্রোত ও ভাঙনে লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নড়িয়া-২, মৌচাক-২, মহানগর নামে তিনটি লঞ্চ নদীতে তলিয়ে যায়। এগুলোর মধ্য নড়িয়া-২ ও মহানগর লঞ্চ দুটি নারায়ণগঞ্জে চলাচল করত আর মৌচাক-২ লঞ্চটি ওয়াপদা থেকে ঢাকা সদরঘাটে চলাচল করত।

নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, লঞ্চ তিনটিতে লঞ্চ স্টাফ ও যাত্রীসহ ২২ জন ছিল।

ওসি আরও বলেন, ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার সকালে নড়িয়া সুরেশ্বর ঘাট এলাকা থেকে নড়িয়া উপজেলার দিঘরী গ্রামের হারুন তালুকদারের ছেলে সজল তালুকদার (৩৮) এবং বুধবার দুপুরে একই যায়গা থেকে নড়িয়া উপজেলার লোনসিং গ্রামের মোহাম্মদ আলী মাদবরের স্ত্রী পারভীন আক্তারের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌবাহিনী, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ডুবে যাওয়া লঞ্চ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের জন্য পদ্মা নদীতে অবস্থান করছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ এমভি প্রত্যয় ওয়াপদা এলাকার পদ্মা নদীতে অবস্থান করছে। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

 

সুত্রঃ jagonews24.com

মন্তব্য

comments

শরীয়তপুর নিউজে প্রকাশিত কোন তথ্য, ছবি, রেখচিত্র, আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যাবহার করা নিষেধ!!


error: Content is protected !!